শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১

admin | অন্যান্য জনপ্রিয়

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২০

করোনা আক্রান্ত হলে যদি শ্বাসকষ্টের সমস্যা খুব বেশি না থাকে, তবে বাড়িতে থাকা সবচেয়ে ভালো। এ সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কখন আইসোলেশন

উপসর্গহীন, মৃদু বা মাঝারি ধরনের করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন রোগী আইসোলেশনে থাকবেন। রিপোর্ট পজিটিভ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কম বয়স হলে ও রোগ জটিল না হলে আপনি বাড়িতেই আলাদা থাকতে পারেন।

করোনা রোগীর আইসোলেশনে থাকা ও চিকিৎসার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. উত্তম কুমার দাস।

তিনি যুগান্তরকে বলেন, করোনা উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই বাড়ির সবার থেকে আলাদা থাকতে হবে। রোগীর অবস্থা জটিল না হলে বাড়িতে চিকিৎসা নিতে পারেন।

আইসোলেশনে থাকা করোনা রোগীর চিকিৎসা

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. উত্তম কুমার দাস বলেন, আইসোলেশনে থাকা করোনা রোগীর চিকিৎসার কিছু নিয়ম রয়েছে, তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

আসুন জেনে নিই কী করবেন-

১. পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে এমন ঘরে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকুন। আলাদা শৌচাগার ব্যবহার করতে পারলে ভালো। আর আলাদা শৌচাগার না থাকলে স্যানিটাইজ করতে হবে।

২. দিনে কমপক্ষে তিনবার লবণ গরমপানি বা জীবাণুনাশক মেশানো গরমপানিতে গার্গল করবেন। গোসল করবেন কুসুম গরমপানিতে।

৩. ভিটামিন সি ও জিংকসমৃদ্ধ খাবার খান নিয়ম করে।

৪. অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ওষুধ লাগে অনেক সময়ই। অ্যান্টিবায়োটিকও দেয়া হয়। এ জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. জ্বর থাকলে দিনে তিন বার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্যারাসিটামল খেতে পারেন।

৬. খুব কাশি হলে আদা রস ও চা খেতে পারেন। এ ছাড়া গরম লবণপানিতে গড়গড়া করতে পারেন। চাইলে কিছু বিশেষ কাফ সিরাপ খেতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

৭. দিনে ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করুন। আর গরম স্যুপ, ২ থেকে ৪ কাপ চা খেতে পারেন। এতে উপকার পাবেন।

৮. ঘরে তৈরি হালকা সহজপাচ্য খাবার খান। পর্যাপ্ত ফল-শাকসবজি ও প্রোটিন খাওয়া বাধ্যতামূলক। আর দই বা ঘোল খেতে পারলে খুবই ভালো।

৯. ভালো ঘুম হওয়া প্রয়োজন। ঘুমের সমস্যা হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেবেন।

১০ মাস্ক পরা ও ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। সুস্থ হওয়ার পর কম করে ১৫ দিন বাড়িতেই থাকুন। এ সময়ও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।

Ad The It King