1. techostadblog@gmail.com : Fit It : Fit It
  2. mak0akash@gmail.com : AL - AMIN KHAN : AL - AMIN KHAN
  3. admin@sangbadbangla.com : admin :
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

ঢাকায় ১২ বন্দি কারাগারের বাইরের হাসপাতালে

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০
  • ১৬৩ বার পঠিত

চিকিৎসকের পরামর্শেই হাসপাতালে অবস্থান করেন অসুস্থ বন্দিরা। এক্ষেত্রে কারা কর্তৃপক্ষের ইচ্ছা অনিচ্ছার ওপর কিছু নির্ভর করে না বলেই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, চিকিৎসকের পরামর্শেই প্রকৃত অসুস্থদের তারা কারাগারের বাইরের হাসপাতালগুলোতে পাঠিয়ে থাকেন। জি কে শামীম, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও রফিকুল আমীনসহ ১২ জন বন্দি কারাগারের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেকেই নানা উপায়ে চিকিৎসকদের কাছ থেকে অসুস্থতার সনদ নিয়ে হাসপাতালগুলোতে অবস্থান করেন। এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে এ সুবিধা কেবল প্রভাবশালী ও বিত্তশালীদের কপালেই জোটে। সাধারণ বন্দিরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তখন কারা চিকিৎসকদের পরামর্শে তাদের সাধারণ হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করিয়ে থাকেন কারা কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ঢাকাসহ সারাদেশে ৮০ জনের বেশি বন্দি কারাগারের বাইরের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাইরের হাসপাতলে কত বন্দি চিকিৎসাধীন আছেন জানতে চাইলে কারা অধিদফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে এ মুহূর্তে এই হিসাব দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত দেশের ১৩টি কেন্দ্রীয় কারাগার ও ৫৫টি জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন ৭৬ হাজার ৬১৮ জন। এসব কারাগারে বন্দি ধারণ ক্ষমতা রয়েছে ৪০ হাজার ৯৪৪ জনের।

কারা অধিদফতরের আরেকটি সূত্র জানায়, ঢাকায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত ১২ জন বন্দি কারাগারের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ক্যাসিনো কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া আলোচিত বন্দি গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম), যুবলীগের সাবেক নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট এবং ডেসটিনির চেয়ারম্যান রফিকুল আমিন রয়েছেন। এই তিন জনই আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে। সম্রাট ছাড়া বাকি দু’জন প্রিজন সেলে আছেন। সম্রাট আছেন অপর একটি কেবিনে। এ সময়ে আলোচিত আর কোনও বন্দি হাসপাতালে নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া বিএসএমএমইউতে মাজহার আলী শ্রাবণ নামে আরেকজন বন্দি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোহাগ হোসেন ও মিলন নামের দু’জন বন্দি চিকিৎসাধীন আছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। শহিদুল ইসলাম, মুন্না কাজী ও করিম আকন্দ নামের তিনজন বন্দি চিকিৎসাধীন আছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মনজুর আহমেদ, হারুন ও মালি কান্দা নামের তিন জন বন্দি চিকিৎসাধীন আছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এসব বন্দি বাস্তবিকই অসুস্থ বলে মনে করেন তারা।

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহাবুবুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,  ‘বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বন্দিরা কারা হাসপাতাল ও বাইরের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। কারা হাসপাতাল হোক আর বাইরের হাসপাতালে হোক, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। আবার হাসপাতাল থেকে কারাগারে পাঠাতে হলেও চিকিৎসকের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে কারা কর্তৃপক্ষের কিছুই করার থাকে না।’

তিনি আরও বলেন, নিয়মানুযায়ী প্রতি ১৫ দিন পর সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লেখা হয়। কেউ সুস্থ হয়ে থাকলে কিংবা কারাগারে পাঠানোর মতো অবস্থা হয়ে থাকলে তাদের যেনও কারাগারে ফেরত পাঠানোর জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যতদিন ছাড়পত্র দিয়ে কারাগারের পাঠানোর কথা না বলবেন, ততদিন কারাকর্তৃপক্ষের কিছু করার নেই।

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০১৯, সংবাদ বাংলা
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: The IT King