1. techostadblog@gmail.com : Fit It : Fit It
  2. mak0akash@gmail.com : AL - AMIN KHAN : AL - AMIN KHAN
  3. admin@sangbadbangla.com : admin :
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

পশ্চিমবঙ্গে কি হানা দেবে পঙ্গপাল?

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২০
  • ১৫১ বার পঠিত

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ক্ষত এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গ। এরই মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে হানা দিয়েছে পঙ্গপাল। বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের জন্যও। 

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) তাদের পর্যবেক্ষণে বলছে, রাজস্থানে থেকে পঙ্গপালের ঝাঁক মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে ঢুকে পড়েছে। জুলাই পর্যন্ত এরা আসতে থাকবে। তখন বাতাস অনুকূলে পেয়ে পশ্চিমবঙ্গের গা ঘেঁষে থাকা রাজ্য বিহার ও উড়িস্যাতেও পৌঁছে যাবে।  তবে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকবে না। মৌসুমী বায়ূ তখন উল্টো দিকে বইতে শুরু করায় এখানেই তাদের গতি থেমে যাবে। তারা তখন সামনে না গিয়ে আবার রাজস্থানের দিকে ফিরে আসবে। সে সময় তাদের প্রজণনেরও সময় হবে। তার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মাটি উপযোগী নয়।

পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার এখনও কোনো সতর্কবার্তা জারি করেনি ভারতের কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রণালয়।  রাজ্যের কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজ্যে হামলার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রতিনিয়ত পঙ্গপালের গতিবিধির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। তারা বলছেন, যে সব রাজ্যে পঙ্গপাল হানা দিয়েছে তাদের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ একটু সুবিধাজনক অবস্থায় আছে। কারণ, পঙ্গপালের আক্রমণের মূল লক্ষ্য সবুজ ফসলে ভরা জমি। মূলত এই সময়ে রাজ্যের জমিতে ফসলের পরিমাণ খুবই কম। বোরো ও রবি ফসলের বেশিরভাগটাই তুলে নেওয়া হয়েছে। বাকি যা ছিল তা আম্ফানের কারনে নষ্ট হয়ে গেছে। 

ভারতের কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘লোকাস্ট ওয়ার্নিং অর্গানাইজেশন’ দেশ জুড়ে পঙ্গপাল হানার উপরে নজরদারি করে। সংস্থার উপপরিচালক (ফসল সুরক্ষা) কে এল গুর্জর জানান, এই মুহূর্তে যেভাবে হাওয়া বইছে, তাতে পঙ্গপালের পশ্চিমবঙ্গে বা পূর্ব ভারতে পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ, হাওয়া সে দিকে বইছে না। বাংলায় গত তিন-চার দশকে পঙ্গপাল হানা দেয়নি।’  কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আর দু’ সপ্তাহের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ঢুকে পড়বে। ফলে পঙ্গপালের দল উল্টো হাওয়ার তাড়া খেয়ে ফের মরুভূমিতে ফিরতে শুরু করবে। পশ্চিমবঙ্গে সর্বশেষ পঙ্গপালের হানা হয় ১৯৬৫ সালে।  

এ বিষয়ে রামকৃষ্ণ মিশন ভিভেকানন্দ এডুকেশনাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কৃষি ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের অনারারি অধ্যাপক দিনেন্দ্র রায়চৌধুরী বলেন, ‘পঙ্গপালের পশ্চিমবঙ্গে আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ ২০১৪ সালে এক প্রকার ক্ষুদ্র কীট কঙ্গো থেকে বাংলাদেশে এসেছিল। তবে পঙ্গপাল যেহেতু প্রজণনের জন্য শুষ্ক বালি পছন্দ করে, সে কারণে এরা এ রাজ্যে নাও ঢুকতে পারে।’

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০১৯, সংবাদ বাংলা
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: The IT King