1. techostadblog@gmail.com : Fit It : Fit It
  2. mak0akash@gmail.com : AL - AMIN KHAN : AL - AMIN KHAN
  3. admin@sangbadbangla.com : admin :
রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন

ওসি-ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৪৫০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯
  • ২৭৯ বার পঠিত

সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের সাবেক ওসি, এক ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ আটজনের বিরুদ্ধে ৪৫০ কোটি টাকা ভারতে পাচারের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন এক আইনজীবী। গতকাল সোমবার সিলেটের বিশেষ জজ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার দরখাস্তে বলা হয়, হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচার ও অবৈধভাবে গবাদি পশুর হাট বসিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন বিবাদীরা। মইনুল হক বুলবুল নামের এক আইনজীবীর দায়েকৃত এজাহার গ্রহণ নিয়ে দুই দফা শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর সিলেটের বিশেষ জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন মঈনুল হক বুলবুল। ১০ ও ১৩ অক্টোবর এ মামলার দু’দফা শুনানি শেষে সোমবার সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান এ মামলা আমলে নিয়ে দুদক সিলেটের উপ-পরিচালককে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- কানাইঘাট থানা পুলিশের সাবেক ওসি ও গোয়াইনঘাট থানার বর্তমান পুলিশ ইন্সপেক্টার মো. আব্দুল আহাদ, কানাইঘাট উপজেলার দিঘিরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের জুনাবআলী ওরফে জুনাইরের ছেলে সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা তাজিম উদ্দিন, দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের জুনাব আলীর ছেলে জহিরুল ইসলাম জহির, দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের বটল হাজির ছেলে মো, আবু রায়হান পভেল, মাছুগ্রাম গ্রামের উনু মিয়ার ছেলে এম মামুন উদ্দিন, দক্ষিণ কুয়রেরমাটি গ্রামের মুতলিব শেখের ছেলে শাহাব উদ্দিন, দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের মৃত ফরিদ আলীর ছেলে মুসলিম উদ্দিনসহ অজ্ঞাত আরও ২/৩ জন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সড়কের বাজার নামক স্থানে আব্দুল গফুর ওয়াকফ স্টেটের ভূমি ব্যবহার করে কানাইঘাট থানা পুলিশের সাবেক ওসি মো. আব্দুল আহাদের প্রত্যক্ষ মদদে আসামি দিঘীরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল ও সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম মামুন উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে দিঘীরপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো আবু রায়হান পাভেলকে বাজারের হাসিল আদায়কারী সাজিয়ে জহিরুল ইসলাম জহির, শাহাব উদ্দিন ও মুসলিম উদ্দিন পুলিশ ও বিজিবির নামে ঘুষের টাকা আদায় করে সরকার ঘোষিত গবাদিপশুর হাটের বাইরে বেআইনি হাট বসান।

এ বাজারে ভারত থেকে গবাদিপশু চোরাচালান ও চোরাইভাবে আনতে বাংলাদেশি ৪৫০ কোটি টাকা আলী হোসেন কাজল ও তাজিম উদ্দিন তাদের নিযুক্ত লোকজন দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার করেন। এ টাকা পাচার ও চোরাচালানের গবাদিপশুর হাট পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নামে সাড়ে ৪ কোটি টাকা এ অবৈধ বাজার থেকে আদায় করা হয়েছে।

মামলার বাদী এম মঈনুল হক বুলবুল জানান, গত ১ আগস্ট এ বাজারে কোরবানির পশু কিনতে গেলে তার কাছেও আসামিরা পুলিশের লাইনের (ঘুষ) নামে ৮০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে বিষয়টি কানাইঘাট থানার ওসিকে জানানো হয়। তিনি এর কোনো প্রতিকার না করে ম্যানেজ করে নেয়ার পরামর্শ দেন। এরপর এ ব্যাপারে ১৮ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিলেট অফিসের গেলে তারা বাদীকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব হুসাইন জানান, এটা একটি বড় দুর্নীতির মামলা। এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় চোরাচালানের গরুর হাট এটি। প্রতিদিন শত শত ট্রাকে এ বাজার থেকে সিলেট ও দেশের বিভিন্ন স্থানে চোরাচালানের গরু প্রকাশ্যে বিনা বাধায় সরবরাহ করা হয়।

এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মো.জসিম উদ্দিন বলেন, মইনুল হক বুলবুল আদালতে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু আদালত কোনো নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই।

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০১৯, সংবাদ বাংলা
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: The IT King