1. techostadblog@gmail.com : Fit It : Fit It
  2. mak0akash@gmail.com : AL - AMIN KHAN : AL - AMIN KHAN
  3. admin@sangbadbangla.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

স্বর্ণ থেকে তুরস্কের আয় ২.৪ বিলিয়ন ডলার

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩২৬ বার পঠিত

তুরস্ক ২০২০ সালে ৪২  টন স্বর্ণ উৎপাদন করে আয়  ২.৪ বিলিয়ন ডলার যোগ করেছে।

তুরস্কের জ্বালানী ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় তার টুইটারে জানায় বিগতে পাঁচ বছরে তুরস্ক ১৫৪ টন স্বর্ণ উৎপাদন করে এবং ২০২০ সালে সর্বোচ্চ ৪২ টন স্বর্ণ উৎপাদন করেছে।

৪ঠা ফেব্রুয়ারি তুরস্কের জ্বালানী ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী ঘোষণা দেয় যে তুরস্ক আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাৎসরিক উৎপাদন ১০০ টনে উন্নীত করবে এবং উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে, যারা ১০০ টনের অধিক উৎপন্ন করে, নিজের অবস্থান নিশ্চিত করবে ।

২০০১ সালে তুরস্ক প্রথম স্বর্ণ উত্তোলন শুরু করে যার পরিমান ছিল ১.৪ টন। বিগত ২০ বছরে তুরস্ক৩৮২ টন স্বর্ণ উত্তোলন করেছে যার মাধ্যমে তুরস্ক শুল্ক হিসেবে প্রায় ৭৬ টন আয় করে। এই শিল্পে আজ পর্যন্ত প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং প্রায় ১৩০০০ কর্মী এই শিল্পে নিয়োজিত আছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করে স্বর্ণ আমদানির খরচ অনেক কমে আসবে এবং এটি দেশের জন্য অনেক বড় সঞ্চয়ের মাধ্যম হিসেবে গণ্য হবে। বিগত বছরে এই সঞ্চয়ের পরিমান দাড়ায় ১২৩ শতাংশ যা অর্থের পরিমানে ২৫.২ বিলিয়ন ডলার।

বর্তমানে ১৮টি স্বর্ণ খনিতে স্বর্ণ উত্তোলনের কাজ চলমান আছে যেখানে আরও ২০টি খনিতে বিনিয়োগের অপেক্ষায় আছে।

২০২০ সালে ৪২  টন স্বর্ণ উৎপাদন করে আয়  ২.৪ বিলিয়ন ডলার যোগ করেছে।

টার্কি গোল্ড মাইনারস এ্যাসোসিয়েশনস(এএমডি)-এর তথ্যমতে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত স্বর্ণ উৎপাদন হ্রাস পেতে থাকলেও ২০১৮ সালে উৎপাদন ২৭.১ টনে পৌছায় এবং পরবর্তী ২০১৯ সালে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ টনে পৌছায়।

এএমডি উল্লেখ করে যে ২০০১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তারা প্রায় ৩৪০ টন স্বর্ণ উত্তোলন করেছে কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা যায় যে তুরস্কের মোট স্বর্ণ মজুদের পরিমান ছিল ৬৫০০ টন যার মধ্যে প্রায় ১৫০০ টন উত্তোলন করা হয়েছে।

খনি থেকে স্বর্ণ আহরোণ বিশ্বের অনেক দেশের জন্যই প্রধাণ অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি। দেশীয় কর্মসংস্থান এবং ব্যবসায়িক সুযোগ বৃদ্ধির কারনে সঠিক, স্বচ্ছ এবং দায়িত্বের সাথে কাজ করলে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রধান ভূমিকা পালন করতে পারে।

সরাসরি আয়ের সাথে, কাজ এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয় স্বর্ণ উত্তোলন বৈদেশিক বিনিয়োগ, বৈদেশিক লেনদেন এবং শুল্ক আয়ের ব্যবস্থা সৃষ্টি করে।

মাঝে মাঝেই খনি থেকে স্বর্ণ আহরোণ কোম্পানিগুলো প্রান্তিক এলাকাগুলোতে গিয়ে তাদের কার্যক্রম চালায় যা ঐ এলাকায় বসবাসকারী লোকেদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে। এবং তারা বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভুমিকা পালন করে যেমন সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বিদ্যুতায়ন ইত্যাদি।

বিশ্বের বৃহৎ স্বর্ণ উৎপাদক

স্বর্ণ বিশ্বের অন্যতম দুষ্প্রাপ্য উপাদান। পৃথিবীর ভূত্বকের প্রতি ১০ লক্ষ অংশের মাত্র ০.০০৩ শতাংশ স্বর্ণ। ২০২০ সালে প্রায় ৩২০০ মেট্রিক টন স্বর্ণ উত্তোলন করা হয়েছে। চায়না, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রধান স্বর্ণ উত্তোলনকারী দেশের মধ্যে অন্যতম।

সমগ্র উত্তোলনের ১১ শতাংশ উত্তোলন করে চায়ান প্রথম স্থানে রয়েছে যার পরিমান প্রায় ৩৮০ টন। রাশিয়ার উত্তোলনের পরিমান ৩২৯.৫ টন এবং অস্ট্রেলিয়ার ৩২৫.১ টন। এর পর পর্যায় ক্রমে রয়েছে যুক্তরাষ্ট, কানাডা, পেরু, ঘানা, দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকো এবং ব্রাজিল।

Source: Tweeter, Aljazeera

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০১৯, সংবাদ বাংলা
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: The IT King