শনিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২১

admin | বিনোদন

প্রকাশ: রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২০

মেয়েদের অশালীন পোশাক নিয়ে যা বললেন অনন্ত জলিল

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন চলছে সারা দেশজুড়ে। ধর্ষণের প্রতিবাদে সোচ্চার তারকারাও। ধর্ষণের প্রতিবাদে নিজের ফেসবুক পেইজে এবার কথা বললেন চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। তিনি তার বক্তব্যে প্রথমে ধর্ষকদের কড়াভাষায় সমালোচনা করেন। এরপর তিনি নারীদের অশালীন শালীন পোশাক পরার আহ্বান জানান। বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রীকে অভিভাবক সম্বোধন করে ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট আইন ও তা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বিঘ্ন ঘটার কথা উল্লেখ করে অনন্ত জলিল ধর্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই যে তোমরা যারা ধর্ষণ করেছো, তোমরা বলব না তোরা বলব? ধর্ষণ করার কারণে যে সারাদেশে হচ্ছে আর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার যে বিঘ্ন ঘটাচ্ছো, কেমন লাগছে তোমাদের? হাসি পাচ্ছে? তোমাদের সামনে তোমাদের স্ত্রী কন্যাদের যদি কেউ রেইপ করে তাহলে তোমার কেমন লাগবে? 

অনন্ত জলিল দেশের সকল মেয়েদের উদ্দেশ্যে ‘ভাই’ হিসেবে কিছু কথা বলেন। বখাটেদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি শরীর আচ্ছাদনের কথাও বলেন এসময়। নারীদের পাশ্চাত্য দেশের পোশাক ‘ফলো করে’ তা পরিধানে নিষেধ করেন। তিনি বলেন, এইসব ড্রেস-আপ দেখে চেহারার দিকে না তাকিয়ে বখাটেরা তোমার ফিগারের দিকে তাকায়, এরপর বিভিন্ন মন্তব্য করে, এবং রেইপ করার চিন্তা তাদের মাথায় আসে। 

‘মডার্ন’ জামাকাপড়ের কথা তুলে জলিল বলেন, তোমরা কি নিজেদের মডার্ন মনে করো? অ্যাঁ? এটা কি মডার্ন ড্রেস? না অশালীন ড্রেস। এটা মডার্ন ড্রেস হতে পারে না। মডার্ন ড্রেস হবে যেখানে ফেস দেখা যাবে যেটা আল্লাহতায়লা দিয়েছেন। কিন্তু যে বডিটা আছে সেখানে শালীনভাবে পোশাক পরতে হবে। নিজেকে পাশের একজন ভদ্রমেয়ের কাছে জিজ্ঞাসা করে দেখো, তোমাকে কত বাজে লাগে দেখতে। 

নারীদের টিশার্ট পরার কারণে ‘ইজ্জত শেষ’ হয়ে যায় উল্লেখ করে অনন্ত এই ভিডিওতে আরও বলেন, ছেলেদের মত একটা টিশার্ট পরে বের হয়ে যাও, মডার্ন মেয়ে তুমি! খুব মডার্ন! তারপর ইজ্জত শেষ করে আত্মহত্যা করো না হয় মানুষের সামনে মুখ দেখাতে পারো না, এটা কি মডার্ন? শালীন ড্রেস পরলে যারা বখাটে যাদের মাথায় ধর্ষণের চিন্তাভাবনা আছে তারা তোমার দিকে শ্রদ্ধার দিকে তাকাবে। এরপর চোখ নিচের দিকে নিয়ে নেবে। 

ভিডিওর শেষে ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদনও জানান। অনন্ত বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনি আমাদের অভিভাবক। এই সব অমানুষদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড আইন ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে হবে। আপনার দিকে সবাই তাকিয়ে আছে আপনি কখন নির্দেশ দেবেন।’